কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ২১ দিনের মধ্যে নিজের এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম ও ত্রাণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেছেন। ফেসবুক লাইভে তিনি নিজের কাজের বিস্তারিত বর্ণনা দেন। একই সঙ্গে, এই আলোচনার প্রেক্ষিতে জনগণ জানতে চেয়েছে গত বছরের বন্যার জন্য সংগ্রহ ও বিতরণকৃত টাকার বিস্তারিত হিসাব। [আপনার কোম্পানি নাম] নিউজ ডেস্ক সেই তথ্য নতুন করে যাচাই করে পাঠকের সামনে উপস্থাপন করছে।
🏗️ ২১ দিনের গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ
হাসনাত আবদুল্লাহ সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর, তিনি অবিলম্বে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেন। দেবীদ্বারের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন রাস্তাঘাট।
সড়ক ও অবকাঠামো:
এলজিইডি এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) অধীনে ৮টি সড়ক সংস্কার প্রকল্প চলছে।
প্রান্তিক শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে দ্রুততম সময়ে বিদ্যালয়গুলোর কাজ শেষ করার পরিকল্পনা।
ভিজিএফ কার্ড ও খাদ্য বিতরণ:
পৌরসভার ৩,০৮১টি এবং ১৫টি ইউনিয়নের ২০,৬৩৫টি কার্ডের মাধ্যমে প্রত্যেকে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ।
এই কার্যক্রমে নিশ্চিত করা হচ্ছে যে প্রকৃত প্রান্তিক মানুষরাই সুবিধা পান।
খাল খনন ও প্রশিক্ষণ:
দুটি খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়ন।
যুবক ও নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, “স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা আমার মূল লক্ষ্য। কোনো ধরনের জোচ্চুরি বা অনিয়ম চলতে দেব না। প্রতিটি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে।”
🌴 খেজুর বরাদ্দ ও বিতরণ
ফেসবুক লাইভে হাসনাত আবদুল্লাহ ৩১২ কেজি সরকারি খেজুর বরাদ্দের তথ্য জানান।
মোট ৩৯টি বাক্সে বরাদ্দ করা হয়েছে, প্রতিটি বাক্সে ৮ কেজি করে।
খেজুরগুলো ১৫টি ইউনিয়নের মাদ্রাসায় ভাগ করা হবে, প্রতি মাদ্রাসা প্রায় ৩ কেজি করে পাবে।
তিনি জানান, কোরবানির সময় উট ও দুম্বার মাংসও বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “প্রতিটি পয়সা জনগণ বুঝবে; কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা স্থানীয় কর্মকর্তা নিজের মতো কিছু করতে পারবে না।”
📊 নতুন করে বন্যার টাকার হিসাব
গত বছরের বন্যা মোকাবিলায় সংগ্রহ ও বিতরণের হিসাব নতুন করে সামনে এনেছে [আপনার কোম্পানি নাম] নিউজ ডেস্ক।
মোট গণত্রাণ সংগ্রহ: ১১ কোটি ৬৯ লাখ ৮৪ হাজার ৪২০ টাকা
ব্যাংকে সংরক্ষিত: ৯ কোটি ৯১ লাখ ৫১ হাজার ২১৩ টাকা
৮ কোটি টাকা: প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে জমা
১ কোটি ৯১ লাখ টাকা: সরাসরি উত্তরাঞ্চলের বন্যাকবলিত এলাকায় বিতরণ
অতিরিক্ত অর্থ এসেছে চেক, দাতা অনুদান, গয়না বিক্রি ও কয়েন যোগ করার মাধ্যমে। সব হিসাব স্বচ্ছ ও নিরীক্ষিত।